আমাদের ঈমান; আমাদের হালচাল

0

মুফতী দানিয়াল মাহমুদ

এক. সেই সত্তার তরে অসংখ্য শুকর,যিনি আমাদের উপর অগণিত নি’আমাত বর্ষণ করেছেন। আমাদেরকে সত্য দ্বীনের পথ দেখিয়েছেন।সঠিক রাহে পরিচালিত করেছেন। তাওহীদ তথা একত্ববাদে বিশ্বাসী বানিয়েছেন। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ পয়গাম্বার সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাল্লামের উম্মাতরূপে প্রেরণ করেছেন। দ্বীনে ইসলামের প্রতি উৎসাহ, উদ্দীপনা ও দ্বীনদারদের ভালবাসা আমাদের অন্তরে ঢেলে দিয়েছেন। সালাত ও সালাম,রহমত বর্ষণ হোক পিয়ারা হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিবার পরিজন, তাঁর তরে প্রাণ উৎসর্গকারী সাহাবা রাযিয়াল্লাহু আনহুম আজমাইন ও তাঁদের সুযোগ্য উত্তরসূরীদের উপর।

মানুষ মুসলিম হোক বা কাফির সবাই আল্লাহ তা’আলার বান্দা। বান্দার কাজ হল বন্দেগী করা, দাসত্ব আদায় করা, তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সূচারুরূপে আঞ্জাম দেয়া। বান্দা যখন আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো হোক সেটা মূর্তি, অগ্নি, বা তাগুত বন্দেগী করে, দাসত্ব করে, গায়রুল্লাহর অনুশাসন নিজের জন্য জরুরী মনে করে, হোক সেটা হেকমত,হীলার আশ্রয়ে,তখন সে আর বান্দার তালিকাভূক্ত থাকে না। সে হয়ে যায় পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট।

বন্দেগীর ভিত্তি হল বিশুদ্ধ ঈমান ও সঠিক আক্বীদার উপর। যার ঈমানে ত্রুটি রয়েছে তার বন্দেগী অগ্রহণযোগ্য, হোক তা সমুদ্রতূল্য। আর যে বিশুদ্ধ ঈমান আক্বীদার অধিকারী তার সামান্য বন্দেগীও মার্যদাতূল্য। তাই প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যিক ফরয হল ঈমান আক্বীদা বিশুদ্ধ করণের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দেয়া এবং ইসলাহে ঈমান তথা ঈমান বিশুদ্ধ করণকে জাগতিক সবকিছুর উপর প্রাধান্য দেয়া।

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষ জীবন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পথ-পদ্ধতি অবলম্বন করে রেখেছে, কেহ বা বাপ-দাদার রুসম, সংস্কৃতি মেনে চলে, আবার কেহ নিজের পীরের তরীকাকে শ্রেষ্ঠ মনে করে। কেউ আলেমদের নিজস্ব মতবাদকে দলীল ও সনদ হিসেবে পেশ করে। আবার কেউ তো আকল তথা নিজস্ব বিবেক বুদ্ধি দৌড়ায়। এবং দ্বীনী বিষয়ে বিবেকের দখলদারিত্ব চালায়। অথচ গ্রহণ ও বর্জনের ক্ষেত্রে দুনিয়া ও আখিরাতের সবকিছুতেই মানদন্ড হওয়া জরুরী ছিল আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ( কোরআন ও হাদীস) । বস্তুত প্রকৃত মুমীন কখনো অহীর বিধানে বিবেক দৌড়ায় না বরং কোরআন ও হাদীসের ফাল্গুধারা দিয়েই হৃদয়কে পরিতৃপ্ত করে।

বুযুর্গদের বাণী, উলামাদের বক্তব্য, সমাজের সংস্কৃতি ইত্যাদি যদি কোরআন,হদাীস এর দ্বারা সমর্থনযোগ্য হয়, তাহলে এটা মানা হবে। আর যদি তা কোরআন ও হাদীস বিরোধী হয় তাহলে তা প্রত্যাখ্যান করা হবে।

আল্লাহ তা’আলা কোরআন কারীমে বলেন,

يأيها الذين امنوا لا تتخذوا اباءكم واخوانكم اولياء ان استحبوا الكفر على الايمان ومن يتولهم منكم فاولئك هم الظلمون۞ قل ان كان أبائكم وابنائكم واخوانكم وازواجكم وعشيرتكم واموال اقترفتموها وتجارة تخشون كسادها ومسكن ترضونها احب اليكم من الله ورسوله وجهاد فى سبيله فتربصوا حتى يأتى الله بامره والله لا يهدى القوم الفسقين۞

অর্থাৎ: হে মুমীনগন! তোমাদের পিতা ও ভাই যদি ঈমানের মোকাবেলায় কুফরিকে পছন্দ করে, তবে তাদেরকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহন করো না। তোমাদের মধ্যে যারা তাদেরকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করে তারাই জালিম।

বল! তোমাদের নিকট যদি আল্লাহ ও তার রাসূল এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করা অপেক্ষা বেশী প্রিয় হয় তোমাদের পিতা, তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভ্রাতা, তোমাদের পত্নী, তোমাদের স্বগোষ্ঠি,তোমাদের অর্জিত সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা, বাণিজ্য যার মন্দা পড়ার আশংকা কর এবং তোমাদের বাসস্থান যা তোমরা ভালবাস, তবে অপেক্ষা কর আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত। আল্লাহ সত্যত্যাগী সম্প্রদায়কে সৎপথ প্রদর্শন করেন না।

(আত তাওবা ৯:২৩-২৪)

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন,

تركت فيكم امرين لن تضلوا ما تمسكتم بهما كتاب الله و سنة نبيه

আমি তোমাদরে মধ্যো দুটি জিনিষ রেখে যাচ্ছি, যতক্ষণ তোমরা এদুটিকে আঁকড়ে ধরবে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। কিতাবুল্লাহ এবং সুন্নাতে নববী সা:।

(মুয়াত্তা মালিক: ৩৩৩৮)

এর চেয়ে আরো স্পষ্ট ‘‘ নস’’ ও বাণীর প্রয়োজন আছে কি? আল্লাহর কাছে মুক্তি শুধু তখনই পাওয়া যাবে যখন আমাদের গ্রহন বর্জনের মানদন্ড হবে আল্লাহ , তার রাসূল ও তার দ্বীন আর পার্থিব সকল সম্পর্ক হবে এর অধীন যাতে মোকাবেলার সময় আমরা আল্লাহর ইচ্ছাকেই অগ্রগণ্য করতে পারি। আমাদের মধ্যে কেউ যদি প্রাধান্যের এই আসমানী মানদন্ড ত্যাগ করে কোনো পার্থিব সর্ম্পককে নিজের গোত্র ( বাংশীয় বা রাজনৈতিক) বা গোত্রপতিদের চিন্তা বা পছন্দকে বা কোন পীর বুর্যগ বা আলেমের নিজস্ব মতবাদকে প্রাধান্যের মানদন্ড বানায় তাহলে নি:সন্দেহে সে ঈমানের পরীক্ষায় নিজেকে অকৃতকার্য করল। বস্তুত প্রাধান্যের মানদন্ড প্রসঙ্গ এক স্পষ্ট বাস্তবতা। চিন্তা করলেই বোঝা যাবে, ঈমানের গোটা বিষয়টা নির্ভরশীল প্রাধান্যের উপরই, ঈমানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করলে সব জায়গায় এটিই দেখা যাবে। ঈমান বিল্লাহর প্রথম কথা, গায়রুল্লাহ থেকে বিমুখ হয়ে আল্লাহর দিকে রুজু করা,শুধু তারই ইবাদত করা, সকল তাগুতের ( আল্লাহ ও তার দ্বীনের সাথে যুদ্ধরত বিদ্রোহী) আনুগত্য অস্বীকার করা এবং আল্লাহ তাঁর রাসূলের ইতাআত আনুগত্য করা। তদ্রুপ ঈমান বির রাসূলের গুরুত্বপূর্ণ কথা,রাসূলের উপর নাযিলকৃত কিতাব ও শরিয়ত এবং তাঁর উসওয়ায়ে হাসানাকে দুনিয়ার সকল ইজম, মতবাদ ও সংস্কৃতির চেয়ে অগ্রগণ্য মনে করা এবং ঐসব থেকে বিমুখ হয়ে একেই গ্রহণ করা। আর আল্লাহর মনোনীত দ্বীন ইসলামে পরিপূর্ণরূপে দাখিল হওয়া।

(ঈমান সবার আগে)

আজকাল সাধারণভাবে মানুষ কুফর-শিরকে লিপ্ত তাওহীদের মর্ম বুঝারমত মানুষ নেই বললেই চলে, অধিকাংশ ঈমানের দাবীদাররা তাওহীদ- শিরকের মর্মই বুঝেনা। ঈমানের দাবী করছে অথচ সে কুফর- শিরকে লিপ্ত ।

আল্লাহ তায়ালা বলেন

وما يؤمن اكثرهم بالله إلا وهم مشركون

অর্থাৎ বেশির ভাগ লোকেরাই আল্লাহর উপর ঈমান এনে তারপর শিরক করে। (সূরা ইউসুফ: ১০৬)

দুই. সুপ্রিয় পাঠক! আজ আমরা এমন একটা সময় অতিক্রম করছি যেখানে পদে-পদে রয়েছে‘‘ ফিতনা” তথা দূর্যোগ, ষড়যন্ত্র, ঈমানী পরীক্ষা, হক্ব-বাতিলের অস্পষ্টতা,দলীল অযোগ্য বিষয়কে দলীল হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতা। যেখানে ক্ষণেক্ষণে রয়েছে মুমিনের ঈমানের জন্য খাতরা।

আনাস বিন মালিক রা: থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন-

تكون بين يدى الساعة فتن كقطع الليل المظلم يصبح الرجل فيها مؤمنا ويمسى كافرا ويمسى مؤمنا ويصبح كافرا يبيع اقوام دينهم بعرض الدينا

(سنن التردذى ومستدرك حاكم )

অর্থাৎ: কেয়ামতের পূর্বমূহুর্তে ফেতনা অন্ধকার রাত্রির ন্যায় ( অন্ধকার রাতে যেভাবে মানুষের কোন কিছু দৃৃষ্টিগোচর হয়না,,কোথায় যাচ্ছে রাস্তা কোন দিকে? তদ্রুপ এই ফেতনার যুগেও এটা বুঝে আসবে না যে মানুষ কী করবে আর কী করবে না? কোনটা হক কোনটা বাতিল বুঝবে না? ) যেখানে লোক সকালে মুমিন থাকলে সন্ধ্যায় কাফির হয়ে যাবে। আর সন্ধ্যাায় মুমিন থাকলে সকালে কাফের হয়ে যাবে। ( যে সময়টাতে) লোকেরা তাদের দ্বীনকে দুনিয়ার সামগ্রীর বিনিময়ে বিক্রি করে দেবে।

( সুনানে তিরমিযী:২১৯৭, মুস্তাাদরাক:৮৩৫৫)

আজ মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকান,সেই আফগানিস্থান থেকে শুরু করে ফিলিস্তিন, ইরাক, লেবানন, লিবিয়া, ইয়ামান, কাশ্মীর ও সিরিয়া গোটা কুফফার শক্তি ও তদের দোসরদের হিংস্র আগ্রাসন বর্বরতা ও নিপীড়নে ক্ষতবিক্ষত। এটা কেন হয় বা হচ্ছে? কী মনে হয়? তারা এসব আগ্রসন তেল,গ্যাস, খনিজ দ্রব্যাদির জন্যই শুধু করছে!! বা বিশ্বের মুসলামান সংখ্যা কম (বর্তমান পৃথিবীতে মুসলামানের সংখ্যা হল ২০০ কোটি) হওয়ার দরুন এই নির্যাতন!!

সুপ্রিয় পাঠক! বিশ্বে মুসলিম নির্যাতনের মূল কারণ এগুলো নয় বরং এর পিছনের অন্যতাম কারণের মধ্যে রয়েছে আমাদের ঈমানী দূর্বলতা, ঈমান ও কুফর বিষয়ে অসচেতনতা, ঈমান-কুফর নিয়ে মোদের অজ্ঞতা, দুনিয়ার মোহে পড়ে গাফলতির চাদর মোড়িয়ে আমাদের আখেরাত বিমুখতা।রয়েছে মোদের জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর মত ফরজ মাযলুম বিধানে অপছন্দনীয়তা।

রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন

عن ثوبان رض مرفوعا: يوشك الأمم أن تداعى عليكم كما تداعى الأكلة الى قصعتها فقال قائل : ومن قلة نحن يومئذ؟ قال :بل انتم كثير، ولكنكم غثاء كغثاء السيل ولينزعن الله من صدور عدوكم المهابة منكم وليقذفن الله فى قلوبكم الوهن، فقال قائل يا رسول الله وما الوهن؟ قال: حب الدنيا وكراهية الموت

( سنن ابى داؤود)

অর্থাৎ অচিরেই তোমাদের উপর কুফফার জাতি সংঘবদ্ধ হয়ে ঝাপিয়ে পড়বে। যেভাবে লোকেরা একসাথে খাবারের দস্তারখানে ঝাপিয়ে পড়ে।এক ব্যক্তি বললেন, আমরা সংখ্যায় কম থাকর দরুণ এটা হবে কী? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন বরং তোমরা হবে সেদিন অত্যাধিক , তবে (সংখ্যাধিক থাকা সত্ত্বেও ) তোমরা হবে নালায় প্রবাহমান পানির খড়কুটের মত। এবং অবশ্যই তখন আল্লাহ তাআলা তোমাদের শত্রুদের অন্তর থেকে তোমাদের ভীতি বের করে নিবেন এবং তোমাদের অন্তরে “অহান” ঢেলে দেবেন। সাহাবী বললেন, ইয়া রাসূল্লাল্লাহ ওহান কী? তিনি বললেন দুনিয়ার প্রতি মুহাব্বাত এবং মৃত্যুকে অপছন্দ করা। (অর্থাৎ দুনিয়ার লোভ-লালসা এবং এতে ডুবে যাওয়া এবং পরকালের আমল বর্জনের কারণে তারা মৃত্যুকে ভয় পাবে এবং জীবন ও তার সামগ্রীকে চাইতে লাগবে, ফলে জিহাদ ফি সাবিল্লিল্লাহ তারা ছেড়ে বসবে)

( আবু দাউদ:৪২৯৭)

তিন. সুপ্রিয় পাঠক! ঈমান কিসে বিশুদ্ধ হয়? ঈমান ও কুফরের মাঝে সম্পর্ক কী রকম হওয়া উচিত? ঈমান কোন জিনিষে খাতরামুক্ত হয়ে যায়? ফেতনা কী? শেষ জামানায় ( যেটা বর্তমানে চলছে) কোন কোন ফেতনার আবির্ভাব হবে? এর থেকে উত্তরণের উপায় কী? এসব জানা, এ সম্পর্কে সম্মক ধারণা লাভ করা প্রত্যেক মুসলামানের জন্য লাযিম। এটাই সময়ের দাবী। নতুবা সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন আফগান, ফিলিস্তিন সিরিয়া,ও অন্যান্য মাযলুম বিশ্বের মত আমাদের পরিণতি হবে।

প্রিয়!! আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ কিতাবের ব্যাপারে আপনাদের সাজেস্ট করছি যা অধ্যায়ন করলে নিজের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা লাভ করেত পারবেন। ঈমান, কুফর, ফেতনা, জিহাদ ফি সাবিল্লিল্লাহর সঠিক মর্ম উপলদ্ধি করতে পারবেন সর্বোপরি নিজেকে ইনশাআল্লাহ সিরাতে মুস্তাকীমের অনুসারী মনে করতে পারেন। আল্লাহ তা’আলা আমাদের সবইকে তাওফীক দান করুন।

১. ইকফারুল মুলহিদীন মূল: আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী রাহ: এর বাংলাও বের হয়েছে “ঈমান ও কুফরের সংঘাত” নামে ২. তাক্বওয়ীতুল ঈমান মূল: শাহ ইসমাঈল শহীদ রাহ: এই নামেই হয়ত বইটি বাংলায়ও অনূদিত হয়েছে। ৩. কিতাবূল ঈমান মুফতী মনসূরুল হক দা:বা: ৪. হাকীমুল উম্মাহ থানভী রাহ: এর ফুরুউল ঈমান, মাও জালাল উদ্দীন অনূদিত ৫. “ঈমান সাবার আাগে” মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক দা:বা:৬. তাফসীরে সূরায়ে তওবা (১-২) শহীদ আব্দুল্লাহ আযযাম রহ: কিতাবটি বাংলায় অনেক আগেই অনূদিত হয়েছে। ৭.“তাওহীদের মর্ম কথা” মূল ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী, মুফতী আলী হাসান উসামা অনূদিত ৮. “তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ;মাহদী ও দাজ্জাল” মাও: আসেম উমর দা:বা: ৯. “দুটি জীবন ব্যাবস্থাপনার লড়াই, ইসলাম ও গণতন্ত্র” মাও: আসেম উমর দা:বা: ১০. নিহায়াতুল আলাম যা “মহাপ্রলয়” নামে বাংলায় অনূদিত, ড: মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আরিফী দা:বা:।

এগুলো ছাড়াও কিতাবুল ফিতান, কিতাবুল জিহাদ, কিতাবুল মালাহিম, কিতাবু আশরাতিসসা’আ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো গুরুত্ব সহকারে অধ্যায়ন জারি রাখতে হবে।

লেখক: মুফতী দানিয়াল মাহমুদ
মুহাদ্দিছ, জামেয়া ক্বাসিমূল উলূম আওরঙ্গপুর শেরপুর সিলেট।

 

Share.

লেখক পরিচিতি

Leave A Reply

Top